fbpx
26.7 C
Barisāl
Friday, September 17, 2021

এক্সপার্টের টিপসে জানুন কেন কিছুতেই কমছে না আপনার পেটের মেদ!

প্রত্যেক নারী-পুরুষেরই আকাঙ্ক্ষা থাকে ফ্ল্যাট বেলি কিংবা সমতল পেট অর্জনের। কিন্তু এটি অর্জন করা খুব কষ্টকর, চাইলেই আপনি রাতারাতি পেটের চর্বি কমিয়ে একেবারে স্লিম হয়ে যেতে পারবেন না। অনেক মানুষকেই অভিযোগ করতে দেখা যায় যে, নিয়মিত ব্যায়াম করে এবং সুষম খাবার খেয়েও পেটের মেদ কমাতে সক্ষম হচ্ছেন না। শুধু এটিই নয়, ওজন কমানো বিষয়ে মানুষের অনেক অভিযোগও শুনতে পাওয়া যায়।

সকল নিয়ম মানছেন কিন্তু পেটের মেদ কমাতে সমর্থ হচ্ছেন না? কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ নিয়ে ওয়েলনেস অ্যান্ড ফিটনেস এক্সপার্ট মমিন এইচ রন আলোচনা করলেন আজকের ফিচারে। চলুন তবে মনোযোগ দিয়ে জেনে আসি কারণগুলো।

আপনি ভুল ব্যায়াম করছেন

ওজন কমানোর যাত্রায় নামলে সকলেই বিভিন্ন কার্ডিও ওয়ার্কআউট যেমন হাঁটা, দৌড়ানো কিংবা সাইকেল চালিয়ে থাকেন। এগুলো ক্যালোরি খরচ করতে সাহায্য করে এবং ওজন কমায় কিন্তু শরীর সুগঠিত করতে খুব একটা কার্যকর হয়না। এজন্যেই ওয়ার্কআউট রুটিনে ওয়েট ট্রেইনিং যোগ করুন। তাতে করে শরীরের বিভিন্ন অংশে পেশী প্রসারিত হবে এবং ফ্যাট বার্ন করা সহজ হবে।

আপনি প্রক্রিয়াজাত খাবার খাচ্ছেন

চিপস, চকোলেট, হোয়াইট ব্রেড কিংবা রেস্তোরাঁর মজাদার সব খাবার খেতে কার না ভালো লাগে বলুন? কিন্তু এগুলো পেটের মেদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভীষণভাবে দায়ী। স্যাচুরেটেড ফ্যাটে পরিপূর্ণ এই খাবারগুলো শরীরকে মেদবহুল করার পাশাপাশি দুর্বল করে ফেলে। পেটের মেদ কমাতে চাইলে অবশ্যই এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলুন।

আপনি প্রচণ্ড স্ট্রেস কিংবা ধকলের মধ্যে আছেন

শুনতে হয়তো অবাক লাগতে পারে কিন্তু স্ট্রেস কিংবা ধকলের সঙ্গে পেটের মেদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে। ধকলে থাকা অবস্থায় আপনার দেহ ‘কর্টিসল’ নামক হরমোন নিঃসৃত করে। আপনি যদি প্রতিনিয়ত স্ট্রেসে থাকেন তবে দেহ থেকে অধিক পরিমাণে কর্টিসল নিঃসৃত হয়ে ফ্যাট সেল বাড়িয়ে তোলে। এমন চলতে থাকলে পেটের মেদ কমানো খুব বেশি কষ্টকর আপনার জন্যে।

আপনি পর্যাপ্ত ঘুমোচ্ছেন না

দিনের পর দিন ঠিকমত না ঘুমানোর ফলে আপনার শরীর অত্যধিক মাত্রায় ক্ষুধার্ত বোধ তোলে। শুধু তাই নয়, এটি লেপটিন নামক হরমোন যা কিনা আপনার অস্বাভাবিক ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে, সেটি প্রস্তুত করা কমিয়ে দেয়। এজন্যেই আপনি পর্যাপ্ত খাওয়াদাওয়া করার পরেও খুব ক্ষুধার্ত এবং ক্লান্ত বোধ করেন। গবেষণা মতে, প্রতি রাতে অন্তত ছয় ঘণ্টা না ঘুমালে অতিরিক্ত ৩০ পাউন্ড ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে শতকরা ত্রিশ ভাগ। এজন্যেই রাতে অন্তত সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

আপনার বয়স

পেটের মেদ না কমার আরেকটি কারণ হতে পারে আপনার বয়স। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেটাবলিজম কমতে থাকে ভীষণভাবে। পরবর্তীতে সেগুলো ফ্যাট হিসেবে জমা হয়। নারীদের ক্ষেত্রে, মেনোপজের ফলে হরমোন উৎপাদনের মাত্রা কমে যায় এবং মেদ হিসেবে পেটে জমা হয়।

উপরোক্ত কারণগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন কোনটা আপনার সঙ্গে মিলে যায় কী না? নিয়মিত ব্যায়াম ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মগুলো মেনে চলুন। নিজের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পর্কিত সংবাদ