fbpx
26.2 C
Barisāl
Friday, October 15, 2021

আগৈলঝাড়ার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীসহ ১৪ জনের আত্মসমর্পণ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশ প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলার তিন জন মাদক ব্যবসায়ি ও এগার জন মাদক সেবনকারী পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। বুধবার পুলিশ লাইন প্রাঙ্গনে পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে জেলার আগৈলঝাড়া থানার মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারীদের আত্মসমর্পন ও পুণর্বাসন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন, জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান। আত্মসমর্পনকারীদের মধ্য আগৈলঝাড়া উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের হুমায়ুন কবির হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার, বাকাল গ্রামের মৃত নিখিল দত্তর ছেলে দুলাল দত্ত, পয়সা গ্রামের মৃত আঃ মজিদ বেপারীর ছেলে আব্দুর রহমান বেপারী ও সেরাল গ্রামের মৃত আঃ হক মৃধার ছেলে আ. রহমান মৃধাকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে পুণর্বাসনের আওতায় সেলাই মেশিন প্রদান করেন পুলিশ সুপার। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আগৈলঝাড়া উপজেলার আত্মসমর্পনকারী মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারীরা হলো ফুল্লশ্রী গ্রামের রমিজ উদ্দিন ফকিরের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী সালাম ফকির, পশ্চিম পয়সা গ্রামের নতুন শেখ এর ছেলে মাদক ব্যবসায়ি আল আমিন শেখ, চক্রিবাড়ী গ্রামের খবির হালদারের ছেলে মাদকসেবী পিযুষ হালদার, পশ্চিম বাগধা গ্রামের জলিল খানের ছেলে মাদকসেবী বজলু খান, নগরবাড়ী গ্রামের জাহাঙ্গীর ফকিরের ছেলে মাদকসেবী সিদ্দিক ফকির, নগরবাড়ী গ্রামের মালেক সিকদারের ছেলে মাদকসেবী লিটন সিকদার, নগরবাড়ী গ্রামের মৃত করিম শাহ’র ছেলে মাদকসেবী আল আমিন শেখ, ফুল্লশ্রী গ্রামের নাজেম বেপারীর ছেলে মাদক ব্যবসায়ি জামাল বেপারী, চেঙ্গুটিয়া গ্রামের হুমায়ুন কবির হাওলাদারের ছেলে মাদক সেবী জুয়েল হাওলাদার, বাকাল গ্রামের মৃত নিখিল দত্তের ছেলে মাদকসেবী দুলাল দত্ত, পয়সা গ্রামের মৃত আঃ মজিদ বেপারীর ছেলে মাদকসেবী আব্দুর রহমান বেপারী, পয়সা গ্রামের রহিম কাজীর ছেলে মাদকসেবী মনির কাজী, আমবৌলা গ্রামের আনোয়ার হোসেন ফরাজীর ছেলে মাদকসেবী সোহেল ফরাজী, সেরাল গ্রামের মৃত আঃ হক মৃধার ছেলে মাদকসেবী আ. রহমান মৃধা।
এর আগে চলতি বছর ১৩ মার্চ আগৈলঝাড়া থানা চত্তরে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের আত্মসমর্পন ও সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে উপরোক্ত সাতজন মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারীরা অত্মসমর্পন করলেও ওই সময় তারা থানায় কোন মাদকদ্রব্য জমা না দেয়ায় আত্মসমর্পনকারীদের তালিকা নিয়ে এলাকায় বেশ হৈ চৈ হয়েছিল। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে অনেকেই মাদক মামলার আসামী রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে জেলার ১০টি থানার ৫৮জন মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারীকে পুনর্বাসনে সহযোগীতা করেন পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম। যা পর্যায়ক্রমে আরও ব্যবসায়ি ও সেবনকারীদের এই পুনর্বাসনের আওতায় নেয়া হবে।
সূত্র মতে, সমাজে মাদকের বয়াবহতা তুলে ধরে এর বিস্তার ঠেকাতে মাদক ব্যবসায়ীদের ভালো হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন পুলিশ সুপার। সূত্র আরও জানায়, পূর্বের মাদক মামলায় জামিনে থাকলে বা অভিযোগ আছে কিন্তু মামলা নেই তারা এ সুযোগ পেলেও গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকা ব্যবসায়িরা এ সুবিধার আওতায় আসবে না। অতীতে মাদক মামলা থাকলে তারা বিচারের আওতায় থাকবে।

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পর্কিত সংবাদ