fbpx
26.7 C
Barisāl
Wednesday, January 26, 2022

আগৈলঝাড়ায় পানবরজ ধংসের পথে। চাষীদের মাথায় হাত। দাম নাগালের বাইরে।

চলতি মৌসুমে অসহনীয় শীতের তীব্রতা এবং ঘণ কুয়াশার কারণে অন্যান্য ফসলের মত চরম ক্ষতি হয়েছে পানবরজের। কুয়াশায় পানবরজের পান বুড়িয়ে গেছে। লতা শুকিয়ে যাওয়ায় আর নতুন পাতা উৎপন্ন হচ্ছেনা। ফলে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে চাষ করা পানবরজ ধংস হয়ে যাচ্ছে। এতে চাষীরা যেমন অপূরণীয় লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন, তেমনি বাজারে পানের দাম একলাফে বিড়া (৭২টিতে ১বিড়া) প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেড়ে গেছে। তাও পর্যাপ্ত পাওয়া যাচ্ছেনা। সাধারণ মানের গৃহস্থালী পান প্রতি বিড়া ৭০-৮০ টাকা এবং খিলি দোকানের পান প্রতি বিড়া ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব পান কোনভাবেই একদিনের বেশী সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছেনা। উপজেলার পান চাষের এলাকা পতিহার, মুড়িহার, উত্তর শিহিপাশা, মধ্য শিহিপাশা, দক্ষিণ শিহিপাশা, ছয়গ্রাম, রতœপুর, টেমার, নাঘার, রাংতা, রাজিহার, তালতারমাঠ, দীঘিবালি, মোলাপাড়া, পাকুরিতা, বাকাল, ফুলশ্রী, কালুপাড়া প্রভৃতি গ্রামের কয়েক হাজার একর জমিতে চাষকৃত পান পাতায় বুড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে ওইসব লতায় নতুন পাতা উৎপন্ন হবেনা বলে ক্ষতিগ্রস্থ চাষীরা জানিয়েছেন। পরবর্তীতে এসব বরজে পুনরায় পানচাষ করতে হলে দূর-দূরান্ত থেকে পানের লতা কিনে এনে লাগাতে হবে। তবে তা বরিশাল কিংবা মাদারীপুর অ লে পাওয়া যাবেনা। রাজশাহী, সিলেট কিংবা চট্টগ্রাম অ ল থেকে অত্যধিক মূল্যে সংগ্রহ করতে হবে। অপরদিকে মধ্যবিত্ত পানচাষীদের পুনরায় বিকল্প পথে পানচাষ করতে হলে তাদের নিজস্ব পূঁজি শেষ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে চড়াসুদে টাকা জোগার করতে হবে। তারা সরকারের কাছে সহজশর্তে পানচাষের জন্য কৃষিঋণের ব্যবস্থা করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন। তাদের বিশ্বাস সহজশর্তে ঋণ পেলে দেশের সম্ভাব্য অ ল থেকে লতা সংগ্রহ করে আবার নতুন উদ্যমে পানচাষ করতে পারবে।

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পর্কিত সংবাদ