fbpx
25.5 C
Barisāl
Thursday, August 11, 2022

বাবুগঞ্জ-মীরগঞ্জ বাজার ফেরিঘাটে টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি

জেলার বাবুগঞ্জ-মুলাদী মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে সড়ক ও জনপদ বরিশাল ফেরি বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গাড়ি থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।চাঁদাবাজির কারনে প্রতিদিন যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।এতে জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারন করছে এবং পরিবহনের লোকেরা হয়রানীর শিকার হচ্ছে।ফেরি বিভাগের সুপারভাইজার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন নিয়ম মেনেই টোল আদায় করা হচ্ছে।কোনো অতিরিক্ত টোল নেয়া হচ্ছে না।মীরগঞ্জ ফেরিঘাটের পূবের্র ঠিকাদার মোঃ খায়ের হোসেন ২০১৭ সালে ১ কোটি ৯৯লাখ ৬১হাজার ২শত টাকায় ঘাটটি ইজারা পায়।ওই ঠিকাদারের ইজারা মেয়াদ ২০১৮সালের ২ জানুয়ারী মেয়াদ শেষ হলে ফেরিঘাটটি বরিশাল সড়ক ও জনপদ ফেরি বিভাগের মাধ্যমে পরিচালনা করে আসছে।সড়ক ও জনপদ বিভাগ কর্তৃক দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে কয়েকগুন ভাড়া আদায় করে আসছে।জানা যায় এ ফেরিঘাট দিয়ে প্রতিদিন দক্ষিনা ল ও উওর অ লের শতশত যাত্রীবাহী বাস ও মালবাহী ট্রাক মীরগঞ্জ হয়ে মুলাদী,হিজলা,মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় যাতায়ত করে থাকে।সওজ ও সড়ক বিভাগ তাদের দফতরের লোকজন দিয়ে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পচনশীল ও যাত্রী বাহী যানবাহন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করার নিয়ম থাকলেও ফেরিঘাটে টোল আদায়কারী সুপারভাইজাররা তাদের কাছ থেকে ২০০শত টাকার স্থলে ১৫০০শত টাকা পযর্ন্ত টোল আদায় করে থাকে।কাঁচামালের গাড়ি পঁচনশীল দ্রব্য গাড়ির চালকরা জানায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২০০টাকার বেশি টাকা দিতে অস্বীকার করলে সুপারভাইজাররা নদীতে পানি কম থাকার অজুহাত দিয়ে তাদের পারাপার করেন না।তাই অনেককে সিরিয়াল দিয়ে অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।তাই গাড়ির চালকরা বাধ্য হয়ে তাদের চাহিদা পুরন করলেই নদীতে পানি থাকে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগি চালকদের ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।এতে করে আটকে পড়া যানবাহনের শ্রমিকরা চরম দূর্ভোগে পড়ছে।পাশাপশি গাড়ির চালকরা চরম হয়রানী শিকার হচ্ছে।মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে দায়িত্বে থাকা সুপারভাইজার আলামিন ও মিজান বলেন আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বড় গাড়ী প্রতি ২০০শত টাকা ছোট গাড়ী ১০০শত টাকা করে টোল আদায় করি।কারও কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয় না।তারা আরো বলেন আড়িয়াল খাঁ নদীতে দিনের বেলায় পানি কম থাকায় মালবাহী ট্রাক পারাপার করতে পারেনি বলে তারা জানান।কিন্ত ওই সুপারভাইজারদের কাছে এ প্রতিনিধি সাংবাদিক পরিচয় গোপন রেখে তাদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা কল রেকর্ডে’র মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে। এহেন অনিয়ম সরেজমিনে গিয়ে ট্রাক চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায় রাতের সময় যে সব ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন পারাপার করা হয় তাদের কাছ থেকে ১৫০০শত টাকা দিতে বাধ্য করানো হয়।তাদের চাহিদা পুরন না করা হলে বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে তাদের পারাপার করছে না চালকদের অভিযোগ।ওই ঘাটে একধিক বাসিন্দারদের সাথে কথা বলে অনিয়মের একই অভিযোগ পাওয়া গেছে।এব্যাপারে বরিশাল সড়ক ও জনপদ ফেরি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফার সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে এ প্রতিনিধিকে বলেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বিষয় আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি কিন্তু সরকারি নিয়ম ছাড়া কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পর্কিত সংবাদ