fbpx
23.7 C
Barisāl
Thursday, October 21, 2021

বরিশালে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে অপহৃত যুবকের লাশ উদ্ধার

রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে হামলার পর অপহৃত যুবক আবুল বাশার ওরফে প্রিন্স সিকদারের (৩২) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে নিহতের ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি জেলার মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের চরআলিমাবাদ এলাকার।
মুলাদী থানার ওসি (তদন্ত) সাইদ আহমেদ তালুকদার রবিবার সন্ধ্যায় আড়িয়াল খাঁ নদীর কাচিরচর-সাহেবেরচর নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে প্রিন্স সিকদারের লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত প্রিন্স সাহেবেরচর গ্রামের নেছার উদ্দিন সিকদারের পুত্র। হামলাকারীরা প্রিন্স সিকদারকে হত্যা করে লাশ গুমের জন্য নদীতে ফেলে দিয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। নিহতের বাবা নেছার উদ্দিন সিকদার জানান, শুক্রবার রাতে বাটামারা ইউনিয়নের সদস্য আবুল কালাম ওরফে কালাম হাওলাদার এবং চুন্নু হাওলাদারের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জন সহযোগীরা তাদের (নেছার সিকদার) ফসলি জমির মধ্যদিয়ে রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে তিনিসহ তার পুত্র আবুল বাশার প্রিন্স সিকদার, চাচাতো ভাই মেজবা উদ্দিন সিকদার, সেকান্দার সিকদারসহ ৭/৮জনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফসলি জমিতে রাস্তা নির্মাণে বাঁধা প্রদান করেন। ওইসময় বাটামারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলামের উপস্থিতিতে ইউপি সদস্য আবুল কালাম ও চুন্নু হাওলাদার কৌশলে স্থানীয় মসজিদের মাইকে এলাকায় ডাকাত ঢুকেছে বলে প্রচার করে গ্রামবাসীদের জড়ো করে তাদের (নেছার উদ্দিন) গংদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাদের মারধর করে আহত করে প্রকাশ্যে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে হামলাকারীরা আবুল কালাম প্রিন্স সিকদারকে অপহরন করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রিন্স সিকদারের পিতা নেছার সিকদার বাদি হয়ে শনিবার মুলাদী থানায় মামলা দায়ের করেন। রবিবার বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় অপহৃত প্রিন্স তালুকদারের লাশ উদ্ধার করেন। নেছার সিকদার অভিযোগ করেন, বাটামারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলামের উপস্থিতিতে হামলাকারীরা তার পুত্র প্রিন্স সিকদারকে অপহরণ করে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য নদীতে ফেলে দিয়েছে। নাজিরপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই বাদল হোসেন হামলার সময় ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলামের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনারদিন (শুক্রবার রাতে) আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে দেখেছি।

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পর্কিত সংবাদ