fbpx
25.6 C
Barisāl
Thursday, April 22, 2021

আগৈলঝাড়ায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি মোবাইলে ছড়িয়ে দেয় বখাটেরা। ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ। একাধিবার শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মোহনকাঠী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীর নগ্ন ছবি বিভিন্ন মোবাইলে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে সহপাঠী এক বখাটে ছাত্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে ছাত্রী স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। লোকলজ্জার ভয়ে ও অঘটনের আশংকায় পরিবারের সদস্যরা ছাত্রীকে নজরদারির মধ্যে রাখছে। প্রশাসনকে না জানিয়ে এ ঘটনার শালিশ-মিমাংশা করার জন্য একাধিকবার বসেছিল কলেজ কমিটি, অধ্যক্ষ, ইউপি সদস্য ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা। শুক্রবার বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে শালিশ-মিমাংশা বন্ধ হয়ে যায়। ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার রতœপুর ইউনিয়নের মোহনকাঠী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী (১৬)র মোবাইল ফোনে ছবি তোলে তার সহপাঠি থানেশ্বরকাঠী গ্রামের উত্তম জয়ধরের ছেলে অভিষেক জয়ধর (১৭)। প্রযুুক্তির অপব্যবহার করে ওই স্কুল ছাত্রীর ছবির মাথা কেটে নগ্ন ছবি বানিয়ে সেই ছবি বন্ধুদের মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেয় অভিষেক জয়ধর। সম্প্রতি ঘটনা জানাজানি হলে ওই স্কুল ছাত্রী মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে লোক লজ্জায় স্কুলে যাওয়া ও প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে দিয়েছে। অঘটনের আশংকায় তাকে চোখে চোখে রাখছেন ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা। প্রশাসনকে না জানিয়ে এ ঘটনার শালিশ-মিমাংশা করার জন্য ময়িয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল। এ কারণে ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর ওই কলেজের সভাপতি শাহীন আলম টেনু সন্যামতের নেতৃত্বে অধ্যক্ষ ফকরুল ইসলামের উপস্থিতিতে তার কক্ষে শালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ৫নং ওয়ার্ড সদস্য শফিকুল ইসলাম অপু মৃধাসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
তবে শুক্রবার বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে শালিশ-মিমাংশা বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনার সাথে এলাকার আমিন হাওলাদার, নাঈম হাওলাদার ও ছাব্বির মোল্লা জড়িত রয়েছে বলে অভিষেক জয়ধর শালিসদের জানায়। এ ব্যপারে মোহনকাঠী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি শাহীন আলম টেনু সন্যামত সাংবাদিকদের কাছে ফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তারা ঘটনা মিমাংশার জন্য বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বসেছিলেন। তবে শুক্রবার পুলিশ যাওয়ায় শালিস-মিমাংশা বন্ধ করে দেয়া হয়। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. রাজ্জাক মোল্লা সাংবাদিকদের জানান, এবিষয়ে থানা পুলিশকে কেউ লিখিত ভাবে জানায়নি। ছাত্রীর পরিবার থেকে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ গিয়ে শালিস-মিমাংশা বন্ধ করে দেয়।

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পর্কিত সংবাদ