fbpx
26.2 C
Barisāl
Friday, October 15, 2021

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রভাব পরবে আগৈলঝাড়ায় যুবদলের পাল্টাপাল্টি কমিটির কারনে দলীয় কার্যক্রম বন্ধ।

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় যুবদলের পাল্টাপাল্টি কমিটির কারনে দলীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকার প্রভাব একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরবে বলে তৃনমুল নেতা-কর্মীরা দাবী করছেন। উপজেলার কমিটির গ্রুপিং এর প্রভাব পরবে ৫টি ইউনিয়নের তৃণমুল পর্যায় যুবদলের নেতা কর্মীদের মাঝে। বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ কেন্দ্রের ঘোষিত বিভিন্ন কার্মসূচী পালিত হচ্ছেনা আগৈলঝাড়া উপজেলায়। দলীয় সূত্রে জানাগেছে, বরিশাল জেলা উত্তর যুবদল সভাপতি কবির হোসেন আফসারী ও সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান মিন্টু কর্তৃক আরিফ হোসেন ফিরোজকে আহবায়ক করে ২০১০সালের ১৩জুলাই স্বাক্ষরিত ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আগৈলঝাড়া উপজেলা যুবদলের একটি কমিটি অনুমোদনের কাগজ সাংবাদিকদের ২০ জুলাই সরবরাহ করেন ওই কমিটির আহবায়ক আরিফ হোসেন ফিরোজ। ওই যুবদল কমিটি কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা আকন কুদ্দুসুর রহমান সমর্থিত। উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উক্ত আহবায়ক কমিটিকে অসাংগঠনিক ও বিতর্কিত লোকজনদের নিয়ে গঠণ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। একই সভাপতি বরিশাল জেলা উত্তর যুবদল কবির হোসেন আফসারী একই বছর ৯ অক্টোবর আলী হোসেন ভূইয়া স্বপনকে আহ্বায়ক করে আরেকটি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছেন। যে কমিটিতে জেলা উত্তর সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদন নেই। আলী হোসেন স্বপন ভূইয়াকে যে কমিটির আহ্বায়ক করে যুবদলের যে কমিটি গঠন করা হয়েছে ওই কমিটি সমর্থন করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান। এ কমিটি ৫টি ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি গঠন করে উপজেলা পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। কোন কাউন্সিল না করে আলী হোসেন স্বপন ভূইয়ার আহ্বায়ক কমিটি উপজেলা পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করেছে। ১০১ সদস্য বিশিষ্টি উপজেলা যুবদলের কমিটির সভাপতি করা হয়েছে আলী হোসেন স্বপন ভূইয়াকে ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহানের ভাতিজা রাসেদুল ইসলাম টিটনকে। টিটনকে সাধারণ সম্পাদক করায় উপজেলা পর্যায়ের যুবদলের ত্যাগী নেতা কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কারন হিসাবে জানাগেছে, টিটন সব সময় এলাকায় না থেকে ঢাকায় অবস্থান করেন। তিনি কেন্দ্রীয় কোন কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করেন না। ক্ষমতার প্রভাবের কারনে তাকে যুবদলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। মুল দলের গ্রুপিং এর কারনে আগৈলঝাড়া উপজেলার যুবদলের একটি পূর্নাঙ্গ ও একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন হওয়ায় তৃণমুল পর্যায়ের নেতা কর্মীরাও গ্রুপিংএ জড়িয়ে পরেছে। এ কারনে ২০১০সালের ৫ নভেম্বর সোবাহান সমর্থিত যুবদলের নেতা কর্মীরা ঈদপূর্নমিলনী অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কারনে পন্ড হয়ে গিয়ে ছিল। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আগৈলঝাড়া উপজেলা যুবদলের কার্যক্রম কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এক গ্রুপ দলীয় কর্মসুচী পালন করতে গেলে অন্য গ্রুপ পুলিশকে সংবাদ দিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। একারনে আগৈলঝাড়া উপজেলায় যুবদলের কেন্দ্রীয় কোন কার্যক্রম পালন হয় না। আগৈলঝাড়ায় পাল্টাপাল্টি যুবদলের কমিটি গঠন হওয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে বলে নেতা-কর্মীরা দাবী করছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা না করলেও নিজ দলের লোকজনের হামলার ভয়ে কোন গ্রুপই দলীয় কর্মসুচী পালন করছে না। এ ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আকন কুদ্দুর রহমান সমর্থিত যুবদলের আহবায়ক আরিফ হোসেন ফিরোজ বলেন, হামলা-মামলার ভয়ে উপজেলা সদরে যুবদলের কোন কর্মসুচী পালন করতে পারছি না। গ্রুপিং এর প্রভাব একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরবে না বলে জানান। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহানের সমর্থিত যুবদলের সভাপতি আলী হোসেন ভূইয়া স্বপন জানান, আগৈলঝাড়া বিএনপির কোন কর্মসূচী পালন না করায় আমরাও উপজেলা যুবদল কেন্দ্রীয় কর্মসূচী পালন করছি না। তাছাড়াও হামলা-মামলার ভয়ে উপজেলা সদরে যুবদলের কোন কর্মসুচী পালন করতে পারছি না।

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পর্কিত সংবাদ