fbpx
31.7 C
Barisāl
Tuesday, April 20, 2021

বরিশাল-২ চিত্র নায়ক সোহেল রানাসহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করতে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র হিসেবে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। এদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মনোনিত মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রোববার (২ ডিসেম্বর) দিনভর বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম অজিয়র রহমান তার কার্যালয়ে প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যা ৬টায় এদের মনোনয়ন পত্র বাতিলের ঘোষণা দেন। জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনিত প্রার্থী দলটির সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানার ৪ হাজার ১৪৭ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় তার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া একজন সমর্থন ভোটার মৃত হওয়ায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বি ত স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা ও ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সমর্থক ভোটারের তথ্য ভুল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শের-ই-বাংলার দৌহিত্র এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু, সমর্থক ভোটার ভুয়া হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনিসুজ্জামান এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক সমর্থক ভোটারের নাম-স্বাক্ষর না থাকায় আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শাহ আলম মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এদিকে নির্বাচনী মাঠ থেকে এই ৬ জন প্রার্থী ছিটকে পড়ায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শাহে আলম তালুকদার। তিনি ছাড়াও বৈধ মনোনয়ন পত্র নিয়ে ভোটের মাঠে লড়তে খুব শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু, সাবেক হুইপ বিএনপি নেতা সৈয়দ শাহিদুল হক জামাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (চরমোনাই) মাওলানা নেছার উদ্দীন ও বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির জহিরুল ইসলাম টুলু। উল্লেখ্য, এ আসনে একক কোনো দলের আধিপত্য নেই বলে নব্বইয়ের পর ৬টি নির্বাচনে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টি ও জেপির (মঞ্জু) প্রার্থীরাও বিজয়ী হয়েছেন। দেশের প্রথম নির্বাচনে এ আসন থেকে জয় লাভ করেছিলেন আওয়ামী লীগ। এরপর তা আবার ফিরে পেতে লেগেছে ৩৬ বছর। স্বাধীনতা পর এই আসনে সবচেয়ে বেশি ৪ বার সংসদ সদস্য পেয়েছে জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ তিনবার, দুই বার করে জয় লাভ করেছে ওয়ার্কার্স পার্টি ও বিএনপি।

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পর্কিত সংবাদ